রেজি: নং - আবেদিত                                                                                        বৃহস্পতিবার,  ২৭শে জুন, ২০১৯ ইং,  ১৩ই আষাঢ়, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ,  রাত ১২:২৪

শরীয়তপুরের জাজিরায় লিজা আক্তার নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে যখম করেছে স্কুলের প্রধান শিক্ষক।

March 24, 2019 , 4:19 pm

শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥ জেলার জাজিরা উপজেলার মূলনা ইউনিয়নের পূর্ব ছাব্বিশ পাড়া গ্রামে পারিবারিক কলহের জের ধরে আপন ভাসুর এরশাদ মাদবর ও দেবর মোরশেদ মাদবরের সন্ত্রাসী হামলার সিকার হয়ে হাসপাতালে বিছানায় যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছেন লিজা আক্তার(৩২)। হামলাকারীরা এ সময় লিজাকে ছিলতা হানির চেষ্টা চালয়। এ ঘটনায় এলাকাবাসী শিক্ষক এরশাদ মাদবরের অপসারন বিচারের দাবিতে বিক্ষোব ও ঝারু,জুতা মিছিল করেছে। আহত লিজাকে জাজিরা উপজেলা কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে।

আহত লিজা আক্তার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাজিরা উপজেলার মূলনা ইউনিয়নের পূর্ব ছাব্বিশ পাড়া গ্রামের মনির মাদবরের স্ত্রী লিজা আক্তার গংদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে বসত বাড়ি নিয়ে বিরোধে জেরে দির্ঘ ১৫ বছর পযন্ত শারীরিক ও মানসিক ভাবে নির্যতন করে আসছেন,২২ নং সরকারী প্রাথমীক বিদ্যালয়র প্রাধান শিক্ষক এরশাদ ও তার আপন ভাই মোরশেদ মাদবর,শিল্পী বেগম ও পলি আক্তার।

আহত লিজা আক্তার বলেন এরশাদ মাদবর নেতৃত্বে তার পরিবার গত ২১ তারিখ সন্ধায় পরিকল্পিত ভাবে মিমাংশা হওয়ার কথা বলিয়া আমাাকে,এরশাদ মাদবর তার বাড়িতে নেয়,আমি সরল বিশ^াসে গেলে ধারালো বঠিদিয়া আমায় হত্যার উদ্দ্যেশে আমার মাথায় কোপ মারে,আমি বামহাত দিয়া ফিরাইলে কজি¦র উপরে জখম হয়। এমনকি এরশাদ মাদবর ও তার পরিবার আমায় এলো পাথারি ভাবে ,কিল ,ঘুষি ,লাথি মারিয়া আমার শরীরে বিভিন্ন এস্থানে নিলা ফুলা জখম করে এমনকি আমার গলায় থাকা আট আনা ও জনের স্বর্নের চেইন ছিরিয়া নিয়া যায় ও ছিলতা হানির চেষ্টা করেন। এতে লিজা আক্তারকে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে আশপাশের লোক তাকে দ্রুত জাজিরা উপজেলা কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় লিজা আক্তার জাজিরা থানায় একটি মামলা দায়ের দায়ের করেছেন ।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত এরশাদ মাদবরের বাড়িতে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল নমম্বারে ০১৭১০০৮৪২৮৬ একাধীকবার ফোন দিলে তিনি ফোন রিছিভ করেনি।

এবেপারে মূলনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন হাওলাদারের কাছে এই বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন মেয়েটি যেদিন নির্যাতিত হয় সেদিন মুঠফনে আমাকে যানিয়েছে, আমি আমার উইনয়নের চকিদার দারা তদন্ত করেছি এবং এই ঘটনার সত্ততা পওয়া গেছে।আমার জানামতে থানায় একটি মামলা হয়েছে তাই আমি কর্তৃপক্ষের কাছে এর সঠিক বিচার দাবি যানাচ্ছি।
এবেপারে জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন কাছে যানতে চাইলে তিনি বলেন লিজা নামে এক মহিলাকে তার ভাসুর মারধর করেছে। বিষয়টি আমরা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আইনিব্যবস্থা গ্রহন করবো।
এলাকায় খোজ খবর নিয়ে জানা জায় শিক্ষক এরশাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে তিনি ২২নং ছাব্বিসপারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক হয়ে ওই প্রতিষ্ঠানে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে সভাপতির সই নকল করে এর আগে এক লাখ আশি হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সেই ঘটনায় এলাকাবাসীর অভিযোগ করে কোন সূরা পায় নি তিনি দিনের পর দিন মানুষের সাথে অসদাচরণ করেন এবং কি সমাজের সকল মানুষ তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ। সারথের জন্য তিনি পরিকল্পিতভাবে তার আপন ভাইয়ের বউ লিজা আক্তার কে দীর্ঘ ১৫ বছর চেষ্টাকরে মেরে ফেলার পাঁয়তারা করে প্রত্যক্ষ অনেকেই এবিষয়ে সাক্ষী দেয় যা ভিডিও প্রমান সহ এই প্রতিনিধির কাছে আছে, এলাকাবাসীর একটাই দাবি এই শিক্ষক জাতির কলঙ্ক তাই দূরত্ব থাকে এই পথ থেকে বহিষ্কার করে আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়ানোর জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

Total View: 100

    আপনার মন্তব্য


[fbcomments]