রেজি: নং - আবেদিত                                                                                        শনিবার,  ১৫ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ইং,  ১লা পৌষ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ,  রাত ১২:২৪

শরীয়তপুরে দুধর্ষ ডাকাতি অাটক ২ গণপিটুনিতে নিহত ১

November 4, 2018 , 7:42 pm

শরীয়তপুর পৌর এলাকার হুগলী গ্রামে তিনটি বাড়িতে দুধর্ষ ডাকাতি হয়েছে। ডাকাতরা ডাকাতি করে তিনটি বাড়ি থেকে নগদ টাকা স্বর্নালংকার মোবাইল ফোন সহ অন্যান্য মালামাল নিয়ে যায়। ডাকাতি করে যাওয়ার সময় দুই ডাকাত জনতার হাতে ধরা পড়ে। বিক্ষুদ্ধ জনতা ডাকাতদের গনপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক ডাকাত মারা যায়। এ ঘটনায় পালং মডেল থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

রুদ্রকার মাকসাহার গ্রামের খলিল শেখ ও পালং মডেল থানা সূত্র জানান, শরীয়তপুর পৌর এলাকার হুগলী গ্রামের অরুন সাহা, স্বপন শাহা ও জসিম ঢালির বাড়িতে গত শনিবার রাত ২টায় ১০/১২ জনের একদল দুধর্ষ ডাকাত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও ককটেল নিয়ে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে বাড়ির লোকজনদেরকে হাত পা মুখ ও চোখ বেধে ফেলে। এ সময় ঘরের আলমারি স্যুকেস ভেঙ্গে তিনটি বাড়ি থেকে প্রায় ৩০ ভরি স্বর্নালংকার, নগদ ২লাখ ২ হাজার টাকা ৪টি মোবাইল ফোন ও একটি হাত ঘড়ি নিয়ে যায়। এরমধ্যে অরুন সাহার বাড়ি থেকে ৮ভরি স্বর্নালংকার ১লাখ ৮৭ হাজার টাকা ৩টি মোবাইল ফোন ও একটি হাত ঘড়ি, স্বপন সাহার বাড়ি থেকে নগদ ৫ হাজার টাকা ৯ ভরি স্বর্নালংকার একটি মোবাইল ফোন ও জসিম ঢালির বাড়ি থেকে নগদ ৪০ হাজার টাকা ১২ভরি স্বর্নালংকার নিয়ে যায়। এ সময় ডাকাতরা স্বপন সাহা ও তার স্ত্রী চন্দনা রানী সাহা এবং মেয়ে দিপা রানীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে।

ডাকাতি করে যাওয়ার সময় রুদ্রকর হোগলা গ্রামের বাবুল শেখ রাত অনুমান আড়াই টায় তাদের বাড়ির নিকট এক ডাকাতকে সন্দেহ করে ঝাপটে ধরে শোর চিৎকার দেয়। এ সময় আশে পাশের লোকজন এসে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় আরো একজন ডাকাতকে আটক করে গনপিটুনি দেয়। এতে তারা গুরুতর আহত হয়। পরে পালং মডেল থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এরা হচ্ছে বরগুনা সদর উপজেলার লতাবাড়িয়া গ্রামের সবুজ হাওলাদার ও মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার চর ঠেংগামারা গ্রামের তুহিন কাজি। বাকিরা পালিয়ে যায়। পুলিশ আহত ডাকাতদের চিকিৎসার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করার পর সকাল ১০টায় সবুজ হাওলাদার মারা যায়।

পালং মডেল থানার ওসি মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, হুগলী গ্রামে ডাকাতি করে যাওয়ার সময় রুদ্রকর হোগলা গ্রামে জনতার হাতে দু’ডাকাত ধৃত হয়। তাদেরকে উদ্ধার করে পালং থানায় নেয়া হয়। এরপর চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর সবুজ হাওলাদার মারা যায়। অপর ডাকাত তুহিন কাজীকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

Total View: 50

    আপনার মন্তব্য


[fbcomments]