রেজি: নং - আবেদিত, প্রতিষ্ঠাকাল: ১মার্চ ২০১৪                                           বুধবার,  ৩রা মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ,  ১৮ই ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ,  দুপুর ১২:১৭

ভেদরগঞ্জে বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিতে ছাত্রলীগ নেতাকে আ,লীগ নেতার চাপ।

December 14, 2019 , 10:29 pm

শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ
সুপ্তা চৌধুরী।

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা তুলে নিতে ছাত্রলীগ নেতাকে এক আওয়ামী নেতা চাপ ও হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন ভেদরগঞ্জ উপজেলার কাচিকাটা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা এইচএম সালমান।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমি টানা ছয় বছর কাঁচিকাটা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ও দুই বছর সখিপুর থানা ছাত্রলীগের স্কুলশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক পদে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছি। পারিবারিক ও রাজনৈতিক বিরোধের জের ধরে প্রায় দেড় বছর আগে কাঁচিকাটা ইউনিয়নের চর জিংকিং বাজারে বিএনপির নেতাকর্মীরা আমার ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালায়। হামলায় গুরুতর আহত হয়ে আমি চাঁদপুর সদর হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছি। পরবর্তীতে এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের ১২ নেতাকর্মীকে আসামী করে শরীয়তপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। এ মামলায় ছাত্রদল নেতা রিশাদ মোল্লা, যুবদল নেতা মনসুর সরদার, ফারুক সরদার, জেদ্দাল সরদার, এনামুল সরদার ও বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর সরদারের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশীট দিয়েছে সখিপুর থানা পুলিশ। বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

এ পর্যন্ত চিকিৎসা ও মামলা চালাতে আমার প্রায় এক লাখ টাকা খরচ হয়েছে। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনী লড়াই করে এতোটা পথ পাড়ি দিয়ে আসার পর এ অবস্থায় মামলাটি তুলে নিতে কাচিঁকাটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক কাকন হাওলাদার বিভিন্নভাবে আমাকে চাপ ও হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।

কাকন হাওলাদার আসামীদের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে আমাকে মামলা তুলে নিতে চাপ দিচ্ছেন। এ ব্যাপারে আমি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম ভাইয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

কাচিঁকাটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কাকন হাওলাদার এ বিষয়ে বলেন, কাঁচিকাটা ইউনিয়নের রাজনীতি কয়েকটি ভাগে বিভক্ত। আসামীরা স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি গ্রুপের সাথে মিশে মামলা তুলে নিতে থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে তদবির করেছে। সালমানকে বলে মামলাটি তুলে নিতে থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আমাকে নির্দেশ দিয়েছেন। থানা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশ আমাকে পালন করতে হয়। সে কারনে মামলাটি তুলে নিতে আমি সালমানকে বলেছি। এ নিয়ে আমিও চাপের মধ্যে আছি।

এ বিষয়ে সখিপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুমায়ুম কবির মোল্যা বলেন, মামলা তুলে নিতে সালমানকে যদি কেউ চাপ দিয়ে থাকেন তাহলে সে দলের উর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের কাছে অভিযোগ করতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা না করে সাংবাদিকদের কাছে কেন অভিযোগ করতে গেলেন?। এর মানে তার অন্য কোন উদ্দেশ্য রয়েছে।

Total View: 510

    আপনার মন্তব্য


[fbcomments]